সাধারণ খরচের পরিসীমা: ৳600 – ৳4,500. চূড়ান্ত খরচ সমস্যা, ব্র্যান্ড ও পার্টসের মানের উপর নির্ভর করে। দেখার পর নিশ্চিত করা হয়।
গরম হচ্ছে না — ম্যাগনেট্রন ও এইচভি সেকশন
ম্যাগনেট্রন, এইচভি ডায়োড, ক্যাপাসিটর ও ট্রান্সফরমার একসাথে পরীক্ষা করা হয়, কারণ শুধু একটি বদলালে চাপ গিয়ে পড়ে পরের দুর্বল পার্টসের উপর। আসল ম্যাগনেট্রনে আমাদের নিয়মিত ওয়ারেন্টি থাকে।
স্পার্ক ও ভেতরে পোড়া দাগ
ভেতরে স্পার্ক হওয়ার কারণ প্রায় সবসময়ই নষ্ট ওয়েভগাইড কভার, ভেতরের রঙ উঠে যাওয়া বা ধাতব কিছু থেকে যাওয়া। মাইকা শিট বদলে ও ক্যাভিটি রি-কোট করে ওভেনটি আবার নিরাপদ করা হয়।
পাওয়ার নেই, লাইট নেই
থার্মাল ফিউজ কেটে যাওয়া, ডোর ইন্টারলক সুইচ নষ্ট বা কন্ট্রোল বোর্ডে সমস্যা। ডোর সুইচ একটি সেফটি পার্ট, তাই সঠিক রেটিংয়েরটিই লাগানো হয়।
টার্নটেবিল, কন্ট্রোল প্যানেল ও টাইমার
মোটর বদল, মেমব্রেন কি-প্যাড মেরামত ও ম্যানুয়াল-ডিজিটাল দুই ধরনের ওভেনের কন্ট্রোল বোর্ড সার্ভিসিং।
যেসব সমস্যা আমরা সারাই
- চলছে কিন্তু খাবার ঠান্ডাই থাকছে
- ভেতরে স্পার্ক হচ্ছে
- জোরে ভোঁ ভোঁ শব্দ
- একদম পাওয়ার নেই
- দরজা লাগছে না / ডিসপ্লেতে এরর
- টার্নটেবিল ঘুরছে না
- বাটন কাজ করছে না
- বাসার সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ করছে
- চালালে পোড়া গন্ধ
যা যা অন্তর্ভুক্ত
- সম্পূর্ণ হাই-ভোল্টেজ সেফটি চেক
- আসল ম্যাগনেট্রন, ডায়োড ও ক্যাপাসিটর
- ওয়েভগাইড মাইকা ও ক্যাভিটি রি-কোটিং
- ডোর ইন্টারলক নিরাপত্তা যাচাই
- রিপেয়ারের পর লিকেজ টেস্ট
- লিখিত ওয়ারেন্টি স্লিপ
যেসব ব্র্যান্ডের সার্ভিস করি
- স্যামসাং
- এলজি
- ওয়ালটন
- শার্প
- প্যানাসনিক
- হুইর্লপুল
- মিয়াকো
- ভিশন
- সিঙ্গার
- নভেনা
আমাদের রিপেয়ার সার্ভিস যেভাবে কাজ করে
সমস্যাটি জানান
ডিভাইসের ব্র্যান্ড, মডেল ও সমস্যাটি নিয়ে কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
ফ্রি ধারণা
ফোনেই আনুমানিক খরচ জানানো হয়, দেখার পর তা নিশ্চিত করা হয়।
বাসায় ভিজিট বা দোকানে জমা
আমাদের টেকনিশিয়ান উত্তরায় আপনার বাসায় যাবেন, অথবা আজমপুরের দোকানে জমা দিতে পারেন।
আসল পার্টস দিয়ে মেরামত
সমস্যাটি সারানো হয় এবং সম্ভব হলে আপনার সামনেই টেস্ট করে দেখানো হয়।
ওয়ারেন্টি স্লিপ
রিপেয়ার ও লাগানো পার্টসের লিখিত ওয়ারেন্টি স্লিপ দেওয়া হয়।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
উত্তরায় কি হোম সার্ভিস দেন?
হ্যাঁ। উত্তরার প্রতিটি সেক্টর, আজমপুর, জসীমউদ্দীন, হাউস বিল্ডিং, আব্দুল্লাহপুর, দক্ষিণখান, উত্তরখান, তুরাগ, দিয়াবাড়ি, খিলক্ষেত ও নিকুঞ্জে আমাদের টেকনিশিয়ান বাসা ও অফিসে যান। কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করলে একই কলেই সময় ঠিক করে দেওয়া হয়।
রিপেয়ারে খরচ কত?
ডিভাইস ও সমস্যার উপর নির্ভর করে। ফোনেই একটি আনুমানিক পরিসীমা জানানো হয় এবং দেখার পর নির্দিষ্ট দাম বলা হয় — সবসময় কাজ শুরুর আগেই। দেখার পর না করালেও কোনো সমস্যা নেই, কোনো লুকানো চার্জ নেই।
কোনো ওয়ারেন্টি দেন কি?
হ্যাঁ। প্রতিটি রিপেয়ারের সাথে লিখিত ওয়ারেন্টি স্লিপ দেওয়া হয়, যা কাজ ও লাগানো পার্টস দুটোই কভার করে। পার্টস ভেদে ওয়ারেন্টির মেয়াদ আলাদা — ব্যাটারি, ম্যাগনেট্রন ও বোর্ডের মেয়াদ ভিন্ন, যা স্লিপে লেখা থাকে।
রিপেয়ারে কত সময় লাগে?
টিভির ব্যাকলাইট, ওভেন, আইপিএস ও ব্লেন্ডারের বেশিরভাগ কাজ একই দিনে শেষ হয়। ঢাকার সাপ্লায়ার থেকে পার্টস আনতে হলে সাধারণত ১-২ কর্মদিবস লাগে।
আপনারা কি আসল যন্ত্রাংশ ব্যবহার করেন?
আপনার মডেলের জন্য যেখানে অরিজিনাল পাওয়া যায় সেখানে অরিজিনালই ব্যবহার করি। অরিজিনাল বন্ধ হয়ে গেলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে মানসম্পন্ন বিকল্প দেওয়া হয় এবং দাম ও স্থায়িত্বের পার্থক্য আগেই বলে দেওয়া হয়।
রিপেয়ার ছাড়া শুধু যন্ত্রাংশ কিনতে পারি?
হ্যাঁ। টেকনিশিয়ান ও গ্রাহক দুজনেই সেক্টর ৩, আজমপুরের এ.বি সুপার মার্কেটের কাউন্টার থেকে সরাসরি পার্টস কিনতে পারেন। আসার আগে মডেল নম্বর জানিয়ে কল করলে স্টক নিশ্চিত করে দেওয়া হবে।