সাধারণ খরচের পরিসীমা: ৳500 – ৳3,500. চূড়ান্ত খরচ সমস্যা, ব্র্যান্ড ও পার্টসের মানের উপর নির্ভর করে। দেখার পর নিশ্চিত করা হয়।
ব্যাটারি বদল ও পরীক্ষা
ঢাকার গরমে ইউপিএসের সিল্ড লেড-অ্যাসিড ব্যাটারি সাধারণত দুই থেকে তিন বছর চলে। প্রকৃত লোডে ক্ষমতা পরীক্ষা করে সঠিক রেটিংয়ের ব্যাটারি লাগানো হয়।
ব্যাটারিতে সুইচ হচ্ছে না
কারেন্ট গেলেই ইউপিএস বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ সাধারণত রিলে নষ্ট, দুর্বল ব্যাটারি বা ট্রান্সফার সার্কিটে সমস্যা — তিনটিই সারানো যায়।
একটানা বিপ ও ফল্ট লাইট
অনুমান না করে আপনার মডেলের ফল্ট প্যাটার্ন অনুযায়ী সমস্যা শনাক্ত করে সেই সেকশনটিই সারানো হয়।
আউটপুট ও ওভারলোড সমস্যা
পোড়া মসফেট, নষ্ট ইনভার্টার ট্রান্সফরমার ও ওভারলোড হওয়া আউটপুট স্টেজ কম্পোনেন্ট লেভেলে মেরামত করা হয়।
যেসব সমস্যা আমরা সারাই
- কারেন্ট গেলে ব্যাকআপ নেই
- একটানা বিপ শব্দ
- ব্যাটারি চার্জ ধরে রাখছে না
- ইউপিএস চালু হচ্ছে না
- ওভারলোড লাইট জ্বলে থাকছে
- কেসিং খুব গরম
- রিলের টিক টিক শব্দ
- যুক্ত ডিভাইস বারবার রিস্টার্ট হচ্ছে
যা যা অন্তর্ভুক্ত
- ব্যাটারি ক্ষমতা পরীক্ষা
- সুইচ-ওভার সময় যাচাই
- রিলে ও ট্রান্সফার সার্কিট মেরামত
- আসল রিপ্লেসমেন্ট ব্যাটারি
- হস্তান্তরের আগে লোড টেস্ট
- লিখিত ওয়ারেন্টি স্লিপ
যেসব ব্র্যান্ডের সার্ভিস করি
- এপিসি
- পাওয়ার গার্ড
- মাইক্রোপ্যাক
- ম্যাক্সগ্রিন
- এক্সট্রিম
- ইকোস
- ওয়ালটন
আমাদের রিপেয়ার সার্ভিস যেভাবে কাজ করে
সমস্যাটি জানান
ডিভাইসের ব্র্যান্ড, মডেল ও সমস্যাটি নিয়ে কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
ফ্রি ধারণা
ফোনেই আনুমানিক খরচ জানানো হয়, দেখার পর তা নিশ্চিত করা হয়।
বাসায় ভিজিট বা দোকানে জমা
আমাদের টেকনিশিয়ান উত্তরায় আপনার বাসায় যাবেন, অথবা আজমপুরের দোকানে জমা দিতে পারেন।
আসল পার্টস দিয়ে মেরামত
সমস্যাটি সারানো হয় এবং সম্ভব হলে আপনার সামনেই টেস্ট করে দেখানো হয়।
ওয়ারেন্টি স্লিপ
রিপেয়ার ও লাগানো পার্টসের লিখিত ওয়ারেন্টি স্লিপ দেওয়া হয়।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
উত্তরায় কি হোম সার্ভিস দেন?
হ্যাঁ। উত্তরার প্রতিটি সেক্টর, আজমপুর, জসীমউদ্দীন, হাউস বিল্ডিং, আব্দুল্লাহপুর, দক্ষিণখান, উত্তরখান, তুরাগ, দিয়াবাড়ি, খিলক্ষেত ও নিকুঞ্জে আমাদের টেকনিশিয়ান বাসা ও অফিসে যান। কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করলে একই কলেই সময় ঠিক করে দেওয়া হয়।
রিপেয়ারে খরচ কত?
ডিভাইস ও সমস্যার উপর নির্ভর করে। ফোনেই একটি আনুমানিক পরিসীমা জানানো হয় এবং দেখার পর নির্দিষ্ট দাম বলা হয় — সবসময় কাজ শুরুর আগেই। দেখার পর না করালেও কোনো সমস্যা নেই, কোনো লুকানো চার্জ নেই।
কোনো ওয়ারেন্টি দেন কি?
হ্যাঁ। প্রতিটি রিপেয়ারের সাথে লিখিত ওয়ারেন্টি স্লিপ দেওয়া হয়, যা কাজ ও লাগানো পার্টস দুটোই কভার করে। পার্টস ভেদে ওয়ারেন্টির মেয়াদ আলাদা — ব্যাটারি, ম্যাগনেট্রন ও বোর্ডের মেয়াদ ভিন্ন, যা স্লিপে লেখা থাকে।
রিপেয়ারে কত সময় লাগে?
টিভির ব্যাকলাইট, ওভেন, আইপিএস ও ব্লেন্ডারের বেশিরভাগ কাজ একই দিনে শেষ হয়। ঢাকার সাপ্লায়ার থেকে পার্টস আনতে হলে সাধারণত ১-২ কর্মদিবস লাগে।
আপনারা কি আসল যন্ত্রাংশ ব্যবহার করেন?
আপনার মডেলের জন্য যেখানে অরিজিনাল পাওয়া যায় সেখানে অরিজিনালই ব্যবহার করি। অরিজিনাল বন্ধ হয়ে গেলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে মানসম্পন্ন বিকল্প দেওয়া হয় এবং দাম ও স্থায়িত্বের পার্থক্য আগেই বলে দেওয়া হয়।
রিপেয়ার ছাড়া শুধু যন্ত্রাংশ কিনতে পারি?
হ্যাঁ। টেকনিশিয়ান ও গ্রাহক দুজনেই সেক্টর ৩, আজমপুরের এ.বি সুপার মার্কেটের কাউন্টার থেকে সরাসরি পার্টস কিনতে পারেন। আসার আগে মডেল নম্বর জানিয়ে কল করলে স্টক নিশ্চিত করে দেওয়া হবে।