সাধারণ খরচের পরিসীমা: ৳700 – ৳6,000. চূড়ান্ত খরচ সমস্যা, ব্র্যান্ড ও পার্টসের মানের উপর নির্ভর করে। দেখার পর নিশ্চিত করা হয়।
ব্যাকআপ কমে যাওয়া
ব্যাটারি এখনো নির্ধারিত ক্ষমতা ধরে রাখছে কিনা তা লোড টেস্ট করে দেখা হয়, এরপর চার্জিং ভোল্টেজ ও কারেন্ট পরীক্ষা করা হয়। সালফেশন হওয়া ব্যাটারি কখনো কখনো ফিরিয়ে আনা যায়; সেল নষ্ট হলে যায় না — কোনটি আপনার তা স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়।
চার্জ হচ্ছে না / খুব ধীরে হচ্ছে
চার্জিং রিলে নষ্ট, ট্রান্সফরমার কয়েল পুড়ে যাওয়া, ফিউজ কাটা বা চার্জ কন্ট্রোলার নষ্ট — সবই সারানো যায়। সেই সাথে চার্জিং কারেন্ট সঠিকভাবে সেট করে দেওয়া হয়, যা অনেক ইউনিটেই ভুল থাকে।
একটানা বিপ শব্দ ও ওভারলোড
সাধারণত ওভারলোড, লোডের নিচে দুর্বল ব্যাটারি বা ফিডব্যাক সার্কিটের সমস্যা। আপনার প্রকৃত লোড হিসাব করে সঠিক ক্ষমতার আইপিএস পরামর্শ দেওয়া হয়।
ইনভার্টার বোর্ড ও আউটপুট না আসা
মসফেট ব্যাংক, ড্রাইভার আইসি ও আউটপুট ট্রান্সফরমার কম্পোনেন্ট লেভেলে সারানো হয়। একেবারে সারানোর অযোগ্য হলেই কেবল বোর্ড বদলানো হয়।
যেসব সমস্যা আমরা সারাই
- ব্যাকআপ মাত্র কয়েক মিনিট
- ব্যাটারি চার্জ হচ্ছে না
- একটানা বিপ শব্দ
- লোডশেডিংয়ে আউটপুট নেই
- আইপিএস খুব গরম হচ্ছে
- ফ্যান চলছে কিন্তু পাওয়ার নেই
- স্পার্ক বা পোড়া গন্ধ
- বারবার ফিউজ কেটে যাচ্ছে
- ব্যাটারির পানি দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে
যা যা অন্তর্ভুক্ত
- ফ্রি ব্যাটারি লোড টেস্ট
- চার্জিং ভোল্টেজ ও কারেন্ট ক্যালিব্রেশন
- কম্পোনেন্ট লেভেল ইনভার্টার বোর্ড রিপেয়ার
- সঠিক লোড হিসাবের পরামর্শ
- নতুন ব্যাটারি সরবরাহ ও সংযোজন
- উত্তরাজুড়ে হোম সার্ভিস
যেসব ব্র্যান্ডের সার্ভিস করি
- রহিমআফরোজ
- হ্যামকো
- ভলভো
- ওয়ালটন
- সুকাম
- লুমিনাস
- নাভানা
- সাইফ পাওয়ার
আমাদের রিপেয়ার সার্ভিস যেভাবে কাজ করে
সমস্যাটি জানান
ডিভাইসের ব্র্যান্ড, মডেল ও সমস্যাটি নিয়ে কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
ফ্রি ধারণা
ফোনেই আনুমানিক খরচ জানানো হয়, দেখার পর তা নিশ্চিত করা হয়।
বাসায় ভিজিট বা দোকানে জমা
আমাদের টেকনিশিয়ান উত্তরায় আপনার বাসায় যাবেন, অথবা আজমপুরের দোকানে জমা দিতে পারেন।
আসল পার্টস দিয়ে মেরামত
সমস্যাটি সারানো হয় এবং সম্ভব হলে আপনার সামনেই টেস্ট করে দেখানো হয়।
ওয়ারেন্টি স্লিপ
রিপেয়ার ও লাগানো পার্টসের লিখিত ওয়ারেন্টি স্লিপ দেওয়া হয়।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
উত্তরায় কি হোম সার্ভিস দেন?
হ্যাঁ। উত্তরার প্রতিটি সেক্টর, আজমপুর, জসীমউদ্দীন, হাউস বিল্ডিং, আব্দুল্লাহপুর, দক্ষিণখান, উত্তরখান, তুরাগ, দিয়াবাড়ি, খিলক্ষেত ও নিকুঞ্জে আমাদের টেকনিশিয়ান বাসা ও অফিসে যান। কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করলে একই কলেই সময় ঠিক করে দেওয়া হয়।
রিপেয়ারে খরচ কত?
ডিভাইস ও সমস্যার উপর নির্ভর করে। ফোনেই একটি আনুমানিক পরিসীমা জানানো হয় এবং দেখার পর নির্দিষ্ট দাম বলা হয় — সবসময় কাজ শুরুর আগেই। দেখার পর না করালেও কোনো সমস্যা নেই, কোনো লুকানো চার্জ নেই।
কোনো ওয়ারেন্টি দেন কি?
হ্যাঁ। প্রতিটি রিপেয়ারের সাথে লিখিত ওয়ারেন্টি স্লিপ দেওয়া হয়, যা কাজ ও লাগানো পার্টস দুটোই কভার করে। পার্টস ভেদে ওয়ারেন্টির মেয়াদ আলাদা — ব্যাটারি, ম্যাগনেট্রন ও বোর্ডের মেয়াদ ভিন্ন, যা স্লিপে লেখা থাকে।
রিপেয়ারে কত সময় লাগে?
টিভির ব্যাকলাইট, ওভেন, আইপিএস ও ব্লেন্ডারের বেশিরভাগ কাজ একই দিনে শেষ হয়। ঢাকার সাপ্লায়ার থেকে পার্টস আনতে হলে সাধারণত ১-২ কর্মদিবস লাগে।
আপনারা কি আসল যন্ত্রাংশ ব্যবহার করেন?
আপনার মডেলের জন্য যেখানে অরিজিনাল পাওয়া যায় সেখানে অরিজিনালই ব্যবহার করি। অরিজিনাল বন্ধ হয়ে গেলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে মানসম্পন্ন বিকল্প দেওয়া হয় এবং দাম ও স্থায়িত্বের পার্থক্য আগেই বলে দেওয়া হয়।
রিপেয়ার ছাড়া শুধু যন্ত্রাংশ কিনতে পারি?
হ্যাঁ। টেকনিশিয়ান ও গ্রাহক দুজনেই সেক্টর ৩, আজমপুরের এ.বি সুপার মার্কেটের কাউন্টার থেকে সরাসরি পার্টস কিনতে পারেন। আসার আগে মডেল নম্বর জানিয়ে কল করলে স্টক নিশ্চিত করে দেওয়া হবে।